বদলে যান (পর্ব-১১)

লাইফস্টাইল ডেস্ক

১৯২

প্রকাশিত: ১৪:০৮, ১৪ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৪:১৭, ১৪ জুলাই ২০২০

শেয়ার করুন:-
জুমার নামাজে যান, রাস্তা-ঘাট ভরপুর। তার পরদিন সকালে ফজরের নামাজে যান। সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।

জুমার নামাজে যান, রাস্তা-ঘাট ভরপুর। তার পরদিন সকালে ফজরের নামাজে যান। সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।

কখনো ভেবে দেখেছেন- কে আমি? কোথা থেকে আসলাম? আমার কি করা উচিত আর কি করছি? শেষ পর্যন্ত আমার গন্তব্য কোথায়? প্রতিদিন নিভৃতে অন্তত একবার ভাবুন, জীবন বদলে যাবে...

আজকের বিষয়: দ্বীন নাকি দুনিয়া?

( তার আগে ক্লিক করে পেজটিতে লাইক দিন। ভালোর সঙ্গে থাকুন। অন্যকেও ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করুন।) 

আমরা কি চাই- দ্বীন নাকি দুনিয়া? অনেকের কাছে প্রশ্নটা উদ্ভট মনে হতে পারে! একটু খুলেই বলি…

আপনি ফজরের সময় যে কোনো মসজিদে যান। গিয়ে দেখুন কতজন মানুষ দুনিয়ার পরিবর্তে আল্লাহকে বেছে নিয়েছে। যান আপনার নিজের ইচ্ছামতো যে কোনো মসজিদে।

জুমার নামাজে যান, রাস্তা-ঘাট ভরপুর। লোকে লোকারণ্য। তার পরদিন সকালে ফজরের নামাজে যান। সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।

আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় একবাক্যে বলবেন-  আল্লাহ আমার জীবনে সর্বপ্রথম পছন্দ। 

(পড়ুনঃ  সাফল্যের পথে প্রতিদিন কোরআনের ৫ আয়াত )

আপনার অবগতির জন্য বিনীতভাবে বলছি, আপনিও তা জানেন, আল্লাহতায়ালার কাছে আমাদের মুখের কথার কোনো মূল্য নেই। যদি তাই হতো, তাহলে বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ অলি-আউলিয়া হয়ে যেতো।

যদি মুখের কথা হতো, তাহলে আমি উন্নতির চরম শিখরে স্থান পেতাম পৃথিবীর মধ্যে।কিন্তু আল্লাহ আমাদের মুখের কথা দেখেন না। তিনি দেখেন আমাদের কর্ম। কারণ কর্ম মুখের কথা চেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়াশীল।

যারা বলে আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি এবং আমি বিশ্বাস করি আল্লাহ রাজ্জাক (রিজিকদাতা)। এই একই মানুষগুলোকে কিন্তু ফজরের সালাতের সময় খুঁজে পাওয়া যায় না। তারা সকাল ৬.৩০ মিনিটে হেলে-দুলে উঠেন। সিগারেট কিনতে চলে যান দোকানে। কাজের জন্য বেরিয়ে পড়েন। 

আমি বলছি না কাজ করা যাবে না। কিন্তু সত্যিকারার্থে আপনি কি বেছে নিলেন? দ্বীন নাকি দুনিয়া? 

আপনি কথায় কথায় আল্লাহ আল্লাহ করছেন; অথচ ফজর ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছেন।তাহলে সত্যিকারার্থে আমরা কি বেছে নিয়েছি? আপনি নিজেকে জিজ্ঞেস করুন ? সত্যিকার অর্থে কি বেছে নিয়েছেন? আমি কি বেছে নিয়েছি? দ্বিন নাকি দুনিয়া? ভেবে দেখুন- কোনটা আমার আপনার জন্য ভালো?

এটুকুন ভেবে সমাধানের জন্য মহান রব নিশ্চয়ই আপনাকে আমাকে জ্ঞান দিয়েছেন। আসুন-বদলে যাই। 

“লোকেরা কি মনে করে যে ‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে দেয়া হবে, আর তাদেরকে পরীক্ষা করা হবে না?” (আল কুরআন-২৯:২)

তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। আর নিঃসন্দেহে তা বড়ই কঠিন- বিনীতদের জন্যে ছাড়া । ( সুরাহ বাকারাহ ২: ৪৫)

( ভালোর সাথে থাকুন, ইকরা নিউজ পড়ুন )  

শেয়ার করুন:-
লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত